1. live@www.dainikalorsomoypratidin.com : দৈনিক আলোর সময় প্রতিদিন : দৈনিক আলোর সময় প্রতিদিন
  2. info@www.dainikalorsomoypratidin.com : দৈনিক আলোর সময় প্রতিদিন :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গজারিয়া সেনাবাহিনীর অভিযানে চারজন আটক, উদ্ধার ইয়াবা–গাঁজা ও অস্ত্র দোয়ারাবাজারে সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে খেলার সামগ্রী বিতরণ ২০২৬ অনুষ্ঠিত দোয়ারাবাজারে ছনোগাও- বাঘমারা জরাজীর্ণ পাকা রাস্তা এ যেন এক মরণফাঁদ রাজশাহীতে এস কিউ ওয়্যার এন্ড ক্যাবল কোম্পানী’র ব্যবসায়িক সম্মেলন মুন্সিগঞ্জ তিন আসনে চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা। বড়াইগ্রামে বনপাড়া ট্রমা সেন্টারের উদ্যোগে রিক্সা ও ভ্যান চালকদের মাঝে ফ্রী স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ। ছাতকে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত প্রায় ৫০ ‎ সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৭ জন মুন্সিগঞ্জ শিলই বিএনপি নেতার বাড়ির দেয়ালে ককটেল বিস্ফোরণ এর অভিযোগ। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন, চরম দুর্ভোগে চরাঞ্চলের মানুষন

সাগরপথকে প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরা কারবারিরা: রামু সেক্টর কমান্ডার

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

 

মোহাম্মদ নাছিম কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত হয়ে দেশে মাদক প্রবেশের জন্য কক্সবাজার সীমান্তের সাগরপথকে এখন প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। এর মধ্যে উখিয়া-টেকনাফ ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আহমেদ।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার শহরের লাবণী পয়েন্টে বিজিবি সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

কর্নেল মহিউদ্দীন জানান, আগে অনুমান করা হলেও এখন ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বিশ্লেষণে প্রমাণ মিলেছে যে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথসহ বিভিন্ন মাদক সাগরপথ দিয়েই দেশে প্রবেশ করছে। দেশে প্রবেশ করা মোট মাদকের প্রায় ৮০ শতাংশই আসছে এই রুটে।

বিকল্প রুটে পাচারকারীদের সক্রিয়তা

উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে নজরদারি কঠোর হওয়ায় পাচারকারীরা বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত। তবে দুর্গম ভূখণ্ড ও দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এ অঞ্চলে কার্যকর নজরদারি জটিল করে তুলেছে বলে জানান তিনি।

দুই মাসে বিপুল সাফল্য

গত ১৫ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযানে বিজিবি ইয়াবা ২৮ লাখেরও বেশি পিস, ক্রিস্টাল মেথ ৮১৬ গ্রাম, বিয়ার ১৬৮ ক্যান, বাংলা মদ ৩৬৬ লিটার ও গাঁজা ২ কেজি ৪২৫ গ্রাম উদ্ধার করেছে। এ সময় গ্রেফতার করা হয়েছে ১৮৮ জন আসামিকে। এসবের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ৮৯ কোটি টাকা।

একই সময়ে উদ্ধার হয়েছে দেশীয় একনলা বন্দুক ৬টি, একে-৪৭ রাইফেল, এসএলআর, জি-৩ রাইফেল, বিদেশি রিভলবার ও গ্রেনেডসহ অস্ত্র-গোলাবারুদ। আটক করা হয়েছে ৫ জন অস্ত্রধারী আসামিকে। উদ্ধারকৃত গবাদি পশু ২২৬টি এবং অন্যান্য চোরাচালানি মালামালের বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

বিশেষ অভিযান

গত ১৪ আগস্ট কক্সবাজার রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মালিকবিহীন ১ হাজার ৩২২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করাকে সাম্প্রতিক সময়ের উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন কর্নেল মহিউদ্দীন।

বহুমাত্রিক পদক্ষেপ

বিজিবি রামু সেক্টর কমান্ডার বলেন, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে মাদক ও চোরাচালান দমনে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ নিচ্ছে বিজিবি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ, রামু, কক্সবাজার, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কগণসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট