সোহেল রানা সিরাজগঞ্জ সিরাজগঞ্জ :
ঘন কুয়াশা কনকনে ঠান্ডা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে সিরাজগঞ্জের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত টানা ৫ দিন ধরে কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি। শীতের কারণে শিশু ও বয়স্ক মানুষেরা নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। এই শীতে অসহায় দরিদ্র মানুষেরা শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্ঠে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলের বসবাসকারী পরিবারগুলো ঠান্ডায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যার ফলে চরের ছিন্নমুল পরিবারগুলো খড় কুঁটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণ করছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসূতি মা’য়েরা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে।
ঘন কুয়াশা কনকনে ঠান্ডার কারণে ছোট ছেলেমেয়েরা সকালে মাদ্রাসা,স্কুলে কলেজে যেতে চাচ্ছে না দিনমজুররা পারছে না ক্ষেতখামারে কাজ করতে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ীরা যথা নিয়মে কর্মস্থলে যেতে পারছে না।
সন্ধ্যার হওয়ার সাথে সাথে রাস্তাঘাট-হাট বাজারে লোকজনের চলাচল কমে যাচ্ছে। ঘনকুয়াশা এবং ঠান্ডায় ব্যবসা-বাণিজ্যেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে এই শীতে।
সকালে ও রাতে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। এমন কি ঠান্ডার কারণে নানাবিধ রোগব্যধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে বিশেষ করে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।
এসব রোগে আক্রান্তদের মধ্যে শিশু-বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে প্রতিদিন ভিড় করছেন সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে। এছাড়া অনেকে কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শীতের দুর্ভোগ কমাতে অসহায় ছিন্নমূলসহ খেটে খাওয়া গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে শীতবস্ত্র বিতরণে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজের সচেতন মানুষরা।
প্রকাশক সম্পাদকঃ মোঃ রেজাউল করিম মোল্লা, মোবাইল নম্বরঃ ০১৭৫৩১২৫৩৯৫
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত