
অনলাইন ডেস্ক রিপোর্টঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রতিবন্ধী ভাইসহ অন্যান্য ওয়ারিশদের কৌশলে বঞ্চিত করে তাদের জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে মোসলেম উদ্দিন নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় উল্টো ভূক্তভোগীদের নামেই মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। রোববার উপজেলার কুমরুল গ্রামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করে দ্রুত বিষয়টির সমাধান করাসহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মোসলেম উদ্দিনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারপিট করাসহ ভূক্তভোগী ফিরোজ হোসেনকে যুবলীগ সভাপতি হিসাবে উল্লেখ করারও প্রতিবাদ জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভূক্তভোগী ফিরোজ হোসেন। এ সময় প্রতিবন্ধী তসলেম উদ্দিনের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম, বোন মমতাজ বেগম ও সাহেরা বেগম।
সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য সুত্রে জানা যায়, মোসলেম উদ্দিন কৌশলে আদালতে তথ্য গোপন করে তার প্রতিবন্ধী ভাই তসলেম উদ্দিনসহ অন্যান্য ভাই ও বোনদেরকে বঞ্চিত করে নিজ পছন্দ অনুযায়ী ভালমানের অধিক পরিমাণের জমি দখলে নেয়। এ বিষয়টি জানতে গেলে তাদের মধ্যে গত ২২ নভেম্বর কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু এ বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য মোসলেম উদ্দিনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারপিট ও তাদের গৃহবন্দী করে রাখার কথা প্রচার করা হয়। পরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও এসব সংবাদ প্রচার করা হয়। একই সঙ্গে ফিরোজ হোসেন কোন দলীয় পদে না থাকলেও হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে সংবাদে তাকে জোয়াড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বলে উল্লেখ করা হয়। প্রকৃত পক্ষে কোন পদে কখনও ছিলেন না। সংবাদ সম্মেলনে তাদের বিরুদ্ধে অসত্য সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি ভূক্তভোগীদের ওয়ারিশ অনুযায়ী প্রকৃত জমির হিস্যা বুঝিয়ে দেয়ার দাবি জানান তারা।
তবে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মোসলেম উদ্দিন জানান, নিয়মানুযায়ী আমি আদালতের মাধ্যমে জমির বন্টননামা করে নিয়েছি। আমি কাউকে বঞ্চিত করা বা কারো জমি দখল করে নেয়ার অভিযোগটি সঠিক নয়।