1. live@www.dainikalorsomoypratidin.com : দৈনিক আলোর সময় প্রতিদিন : দৈনিক আলোর সময় প্রতিদিন
  2. info@www.dainikalorsomoypratidin.com : দৈনিক আলোর সময় প্রতিদিন :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যাদের বেতনের টাকায় পোষাবে না, তাদের চাকরি করার দরকার নেই — শৈলকুপায় আইনমন্ত্রী বড়াইগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী টিএস ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত লালপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন (সদস্য) সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত বড়াইগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত। গজারিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধাঞ্জলি দোয়ারাবাজারে প্রকাশ্যে চেলা নদীর বালু লুটপাট চলছে, দেখার কেউ নেই মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও ভারতীয় ওষুধ জব্দ, আটক ১ বড়াইগ্রামে ভাঙচুর হওয়া ১১টি বাড়ি মেরামতের ঘোষণা। আমীরে জামায়াতের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি প্রার্থী আব্দুল হাকিম বনপাড়ার মানুষের আস্থার প্রতীক মাহমুদুল হাসান মেমন পৌরবাসীর প্রত্যাশা—মানবিক নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে প্রিয় শহর মুন্সীগঞ্জে আসলাম সুইটসে মূল্য তালিকা অমান্য করে ফাস্টফুড বিক্রিতে ৪ হাজার টাকা জরিমানা

রাজশাহীতে প্রশাসন ম্যানেজ করে আবাসিক হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার স্বর্ণকারপট্টির ‘হোটেল ওয়েলকাম’ ও লক্ষিপুর জিপিও অপজিটে চয়েজ
আবাসিক হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা ও মাদকের আখড়া । দীর্ঘদিন থেকে র‍্যাব পুলিশের অভিযান পরিচালনা না করায় থামছে না দেহ ব্যবসার কাজ। এগুরো আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা পাশাপাশি চলে মাদক সেবন । গত বছর সেখান থেকে ৭ নারীসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিলেন র‌্যাব। বিভিন্ন সময় হোটেলের নাম বদল হলেও অবৈধ এ দেহ ব্যবসা কারবার কখনও বন্ধ হয়নি। নগরীর প্রাণকেন্দ্রে সাহেববাজার ভূবন মোহন পার্কের পাশেই এ হোটেলের অবস্থান। পাশাপাশি মাদক কারবারও চলছে এই দুই হোটেলটিতে। এদিকে ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা না করায় আরো রমরমা দেহব্যবসা চলমান।

অভিযোগ রয়েছে পুলিশকে ম্যানেজ করেই এসব চালাচ্ছে মালিকপক্ষ। কুখ্যাত এ হোটেলটি পরিচালনা করেন রাজশাহী মহানগরীর ভদ্রা এলাকার বাসিন্দা সোহেল। একসময় এ হোটেলের বয় ছিলেন তিনি। ধীরে ধীরে অনৈতিক কাজে সিদ্ধহত হয়ে যান সোহেল। রাতারাতি মোটা আয় দেখে নিজেই নিয়ে নেন দুটি হোটেল। একটি হোটেল চয়েজ অপরটি ওয়েলকাম ।এরপর পেশাদার যৌনকর্মীদের নিয়ে গড়ে তোলেন নেটওয়ার্ক। এ যৌনকর্মীদের অনেকেই জিম্মি হয়ে রয়েছেন সোহেলের কাছে। অনৈতিক এ কাজ থেকে বেরিয়ে যাবার চেষ্টা করেও পারেননি অনেকে।
অভিযোগ রয়েছে, নগরীর বিভিন্ন এলাকা বাসা ভাড়া নিয়েও দেহব্যবসা ও মাদক ব্যবসা চালাচ্ছেন এই সোহেল রানা। নির্বিঘ্নে কাজ করতে গড়ে তুলেছেন পোষা গুণ্ডা
বাহিনী। অনেকে না বুঝে হোটেলে কিংবা এদের বাসায় উঠলেই জিম্মি করে আদায় করেন অর্থ। তবে মানসম্মানের ভয়ে ঘটনার শিকার কেউই অভিযোগ দেননি থানায়। সূত্র জানায়, আবাসিক হোটেল ওয়েলকাম ও চয়েজ হোটেলের কক্ষে দিনের বেলায় অবস্থান করেন তরুণীরা। এদের কয়েকজন ১৮ বছরের নিচে। রাতে এরা বিভিন্ন নম্বর কক্ষে অবস্থান করেন। অপেক্ষায় থাকেন ডাক পড়ার। ডাক পড়লে গভীর রাতেও বাইরে যান যৌনকর্মীরা।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ডে এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে যে কোনো সময়। ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনাও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে অবৈধ এ কারবার বন্ধে এখনই উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা।

যশোর থেকে আশা এক যৌনকর্মী ছদ্ম নাম ( শীলা) জানায়,তিনি প্রতিদিন ১০/১৫ টি কাজ করে থাকেন প্রতি কাজের জন্য পান ১৫০ /২০০ টাকা। এদিকে এই কাজ করতে আশা ব্যাক্তিদের কাছ থেকে নেওয়া হয় ৩০০/৫০০ টাকা।

ঢাকা থেকে আসা ছদ্ম নাম( লাবন্য) তিনি বলেন, আমাকে শোরুমের কাজ দিবে বলে এখানে রেখে গেছে। এগুলো কাজ আমি করতে চাই না তবুও পিতা মাতা অসুস্থ তাই বাধ্য হয়ে এই কাজে লিপ্ত আছি।রাতে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে হোটেল মালিক পাঠিয়ে দেয় ১ জনের নাম করে পাঠিয়ে দিলেও সেখানে ২/৩ জনের কাছে থাকতে হয়।কোন কোন সময় এর সংখ্যা বেড়েও যায়। সারারাত কাজ করে ১৫০০/২০০০ হাজার টাকা দেয়। মালিক ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা নেয়। আমরা বিভিন্ন ভাবে নির্যানতের শিকার হই।কাউকে কিছু বলতে পারি না বলতে গেলে আমরা যারা রয়েছি তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয় নির্যানত করা হয় এমনকি বিদেশে পাচাঁর করে দেবার হুমকিও দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হোটেল মালিক সোহেল বলেন,আমি সবাইকে ম্যানেজ করে করছি। প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা বিভিন্ন যায়গায় দিতে হয় তাই নিউজ করে কোন লাভ নেই। আপনার যা ইচ্ছে করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, আবাসিক হোটেলে কোন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার কোন সুযোগ নেই। দূত সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

রাজশাহীর অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন,আপনারা আমাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। অতিদ্রুত এই দুইটি হোটেল অভিযান পরিচালনা করা হবে।এছাড়াও আবাসিক হোটেল ব্যবসার নামে অনৈত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যাবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট